পরীক্ষার আগের দিন যা ঘটবেই
|
আপডেট: ০১:৫১, আগস্ট ৩১, ২০১৫
|
* যাবতীয় নাম-ঠিকানাবিহীন দুর্ঘটনা ঘটার
জন্য পরীক্ষার আগের দিন বেশ শুভ! কোনো কারণ ছাড়াই পরিবারের কারও মাথা ঘুরে
পড়ে যাওয়া কিংবা বিনা নোটিশে ছোট ভাইয়ের হাত-পা ভাঙার মতো ব্যাপারগুলো
পরীক্ষার আগের দিনই ঘটবে।
* অতিথির আসার কোনো তিথি নেই—এটা ডাহা মিথ্যা কথা। অতিথির আসার অবশ্যই তিথি আছে এবং অতি অবশ্যই তা পরীক্ষার আগের দিন। সঙ্গে অঘটনঘটনপটীয়সী আন্ডাবাচ্চা তো আছেই। থাকার জায়গা নিয়েই টানাটানি, আবার পড়া!
* পারিবারিক মহাগুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ওত পেতে থাকবে পরীক্ষার আগের দিনের জন্য। এবং আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করবেন, সেগুলো করার জন্য একমাত্র আপনাকেই আস্থাভাজন মনে করা হচ্ছে! যতই পরীক্ষার দোহাই দিন, কেউ আপনার কথা কানে তো তুলবেই না, বরং সারা বছর গায়ে বাতাস লাগিয়ে টো টো করে ঘোরা নিয়ে খোঁটা দেবে! অতএব, মুখখানা প্যাঁচামুখী করে কাজগুলো আপনাকেই সামাল দিতে হবে।
* গ্রাম থেকে আসা মামা-চাচা-খালুকে ডাক্তার দেখানো, বড় বোনের বাসা বদল, প্রেমিকার জন্মদিন ইত্যাদি ঘটনাগুলোরও শিডিউল থাকে পরীক্ষার আগের দিনের জন্য!
* কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে চোতা ফটোকপি করেছেন, অথচ পরীক্ষার আগের দিনই সেগুলো খুঁজে পাবেন না। উথালপাতাল খোঁজাখুঁজি করেও লাভ নেই—‘নাই তো নাইই’! বিরাট হ্যাপা করে বন্ধুর কাছ থেকে আবার ফটোকপি করে আনার পর দেখবেন, টেবিলের এক কোনা থেকে আগের চোতাগুলো উঁকি মারছে!
* পরীক্ষার আগের দিন পড়তে বসার পরই মনে পড়বে, আপনার গুরুত্বপূর্ণ বইখানা বন্ধুর হেফাজতে এবং বন্ধুর বাসা অবশ্যই দুনিয়ার অন্য প্রান্তে!
* পরীক্ষা উপলক্ষে অসুস্থ হবেন না, এমনটা হতেই পারে না! পরীক্ষার আগের দিন মাথাব্যথা, সঙ্গীসাথি হিসেবে আরও থাকতে পারে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বর কিংবা পেট নেমে যাওয়ার মতো মধুর সমস্যা।
* বাসার বৈদ্যুতিক লাইনের ট্রান্সমিটারটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হওয়ার জন্য পরীক্ষার আগের রাত বেশ আদর্শ সময়! এবং লোডশেডিংয়ের সময় একই সঙ্গে বাসার সব চার্জার লাইট, মোমবাতিও গায়েব হয়ে যাবে!
* বছরের অন্য দিনগুলোয় ট্যাবলেট-টুবলেট খেয়ে, হাতে-পায়ে ধরেও ঘুম আনাতে পারেন না, কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতে যেই বই নিয়ে বসবেন, ঘুম একেবারে আপনার কোলে এসে বসবে! সেই ঘুমও যে সুখের হবে—এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। পরীক্ষা-সম্পর্কিত চিরাচরিত দুঃস্বপ্নগুলো না দেখে আপনার রেহাই নেই!
* অতিথির আসার কোনো তিথি নেই—এটা ডাহা মিথ্যা কথা। অতিথির আসার অবশ্যই তিথি আছে এবং অতি অবশ্যই তা পরীক্ষার আগের দিন। সঙ্গে অঘটনঘটনপটীয়সী আন্ডাবাচ্চা তো আছেই। থাকার জায়গা নিয়েই টানাটানি, আবার পড়া!
* পারিবারিক মহাগুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ওত পেতে থাকবে পরীক্ষার আগের দিনের জন্য। এবং আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করবেন, সেগুলো করার জন্য একমাত্র আপনাকেই আস্থাভাজন মনে করা হচ্ছে! যতই পরীক্ষার দোহাই দিন, কেউ আপনার কথা কানে তো তুলবেই না, বরং সারা বছর গায়ে বাতাস লাগিয়ে টো টো করে ঘোরা নিয়ে খোঁটা দেবে! অতএব, মুখখানা প্যাঁচামুখী করে কাজগুলো আপনাকেই সামাল দিতে হবে।
* গ্রাম থেকে আসা মামা-চাচা-খালুকে ডাক্তার দেখানো, বড় বোনের বাসা বদল, প্রেমিকার জন্মদিন ইত্যাদি ঘটনাগুলোরও শিডিউল থাকে পরীক্ষার আগের দিনের জন্য!
* কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে চোতা ফটোকপি করেছেন, অথচ পরীক্ষার আগের দিনই সেগুলো খুঁজে পাবেন না। উথালপাতাল খোঁজাখুঁজি করেও লাভ নেই—‘নাই তো নাইই’! বিরাট হ্যাপা করে বন্ধুর কাছ থেকে আবার ফটোকপি করে আনার পর দেখবেন, টেবিলের এক কোনা থেকে আগের চোতাগুলো উঁকি মারছে!
* পরীক্ষার আগের দিন পড়তে বসার পরই মনে পড়বে, আপনার গুরুত্বপূর্ণ বইখানা বন্ধুর হেফাজতে এবং বন্ধুর বাসা অবশ্যই দুনিয়ার অন্য প্রান্তে!
* পরীক্ষা উপলক্ষে অসুস্থ হবেন না, এমনটা হতেই পারে না! পরীক্ষার আগের দিন মাথাব্যথা, সঙ্গীসাথি হিসেবে আরও থাকতে পারে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বর কিংবা পেট নেমে যাওয়ার মতো মধুর সমস্যা।
* বাসার বৈদ্যুতিক লাইনের ট্রান্সমিটারটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হওয়ার জন্য পরীক্ষার আগের রাত বেশ আদর্শ সময়! এবং লোডশেডিংয়ের সময় একই সঙ্গে বাসার সব চার্জার লাইট, মোমবাতিও গায়েব হয়ে যাবে!
* বছরের অন্য দিনগুলোয় ট্যাবলেট-টুবলেট খেয়ে, হাতে-পায়ে ধরেও ঘুম আনাতে পারেন না, কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতে যেই বই নিয়ে বসবেন, ঘুম একেবারে আপনার কোলে এসে বসবে! সেই ঘুমও যে সুখের হবে—এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। পরীক্ষা-সম্পর্কিত চিরাচরিত দুঃস্বপ্নগুলো না দেখে আপনার রেহাই নেই!
Post a Comment