Monday, August 31, 2015

পিতার কাছে ই-মেইল

.

পিতার কাছে ই-মেইল

পরীক্ষার হলে এক প্রশ্নই নিয়ে পেরে উঠি না, তার ওপর আরও নানা রকম বিরক্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। নিজের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ারই সময় থাকে না, তার মধ্যে নিচের ক্লাসের কেউ যখন প্রশ্ন করে, ‘এটা কী হবে, ওটা কী হবে?’ তখন মেজাজটা ভীষণ গরম হয়ে যায়। মাঝে মাঝে আবার সংশয়েও থাকি, ছোট বোনেরা প্রশ্ন করার পর উত্তর দিতে না পারলে মানসম্মান তো একেবারে বঙ্গোপসাগরের পানির সঙ্গে মিশে যাবে! সেবার আমার পাশে বসেছে ক্লাস ফোরের এক ছোট বোন। ওদের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে প্রশ্ন এসেছে, ‘বই কেনার টাকা চেয়ে পিতার কাছে ই-মেইল লেখো।’ ছোট বোন আমাকে জিজ্ঞেস করল, ‘আপু, ই-মেইল কীভাবে লেখে?’ কী আর করা, নিজের লেখা বাদ দিয়ে দ্রুত ওকে শিখিয়ে দিলাম। তারপর ও লিখতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর আবার ওর ডাক, ‘আপু, ই-মেইলটা একটু দেখে দেবে, প্লিজ!’ আবার নিজের লেখা ফেলে ওর ই-মেইল দেখতে লাগলাম। বাবার ই-মেইলের ঠিকানায় সে লিখেছে father@yahoo.com!

 নওশীন নাওয়াল




.অকাজের আন্ডা

স্যার: বল্টু, তোদের তো অনেক হাঁস, কাল আসার সময় আমার জন্য দুইটা আন্ডা নিয়ে আসিস।
বল্টু: স্যার, দুইটায় চলবে?
স্যার: হ্যাঁ, চলবে। পরে দরকার হলে আমি আবার বলব।
বল্টু: স্যার, এই নেন। (একটা খাতা এগিয়ে দিয়ে)
স্যার: এইটা কী রে?
বল্টু: স্যার, মাত্রই তো দুইটা ডিম চাইলেন। এর জন্য আবার এক দিন অপেক্ষা করার কী দরকার! আপনি তো বললেন, আমি অঙ্কে আন্ডা পাইছি। আর এগুলো তো আমার কোনো কাজে আসবে না, আপনিই রেখে দেন।



মো. নাজমুল হক










  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

Post a Comment